মো. রিফাত-উর-রহমান | The Daily Star Bangla
  • মো. রিফাত-উর-রহমান

    শিক্ষক, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগ, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ

  • বিশ্ব ঐতিহ্য দিবস: আমাদের অবহেলিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

    আজ বিশ্ব ঐতিহ্য দিবস। ১৯৮২ সালে ‘ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল ফর মনুমেন্টস অ্যান্ড সাইটস (ICOMOS)’ তিউনিশিয়ায় একটি আলোচনা সভায় ১৮ এপ্রিলকে ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে ফর মনুমেন্টস অ্যান্ড সাইটস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তী সময়ে ১৯৮৩ সালে দিনটি ‘বিশ্ব ঐতিহ্য দিবস’ হিসেবে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পায়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের তাগিদ থেকে মূলত দিনটি পালন করা হয়ে থাকে। পরিমেয় এবং অপরিমেয় উভয় সাংস্কৃতিক পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধ দেশ। পাশাপাশি, এদেশের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যতা সাংস্কৃতিক পরিপ্রেক্ষিতকে অনেক বেশি সমৃদ্ধ করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।
  • বর্ণবাদ, বাংলাদেশের নারী এবং রং কালো নারীর অভিশপ্ত জীবন

    ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২১ মার্চ দিনটিকে ‘আন্তর্জাতিক জাতিগত বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবস’ হিসেবে পালন করার আহ্বান জানিয়েছিল। বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এই দিনটিকে ‘জাতিগত বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবস’ হিসেবে পালন করে। এই দিবসটি পালনের মূল পরিপ্রেক্ষিত ছিল ১৯৬০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার শার্পভিলে জাতিগত বর্ণবৈষম্যের প্রতিবাদে সাধারণ মানুষের শান্তিপূর্ণ মিছিল। যে মিছিলে পুলিশ গুলি করে ৬৯ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করে, আহত হন আরও ১৮০ জন। এই প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল ২১ মার্চ থেকে, সে কারণে ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২১ মার্চকে ‘আন্তর্জাতিক জাতিগত বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
Top