মাহফুজ আনাম | The Daily Star Bangla
  • মাহফুজ আনাম

  • বিপদজনক খেলায় মেতেছেন ট্রাম্প

    ‘আমি জিতলে নির্বাচন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু এবং আমি হারলে কারচুপি হয়েছে।’ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আমাদের দেশে নির্বাচনের সময় এই বাক্যটি আমি বহুবার লিখেছি। তবে, কখনই ভাবিনি যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন সম্পর্কে লিখতে গিয়েও এই বাক্যটি লিখতে হবে। বড় রকমের কারচুপি বা জালিয়াতি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন ট্রাম্প। এই নির্বাচনের ফলাফল তিনি মানছেন না। তিনি ‘বৈধ’ ভোট যাচাইয়ের জন্য মামলা করার পথ বেছে নিয়েছেন এবং বোঝাচ্ছেন যে ‘অবৈধ’ ভোট দেওয়া হয়েছে ও গণনা করা হয়েছে। যদিও এর স্বপক্ষে তিনি কোনও প্রমাণ দিতে পারেননি।
  • গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি: আসল পরীক্ষা বাস্তবায়নে

    গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুনপ্রতিশ্রুতি, আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ। কিন্তু, তার এই প্রতিশ্রুতির সঙ্গে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, বিশেষত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনটি যেভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে তার কী সামঞ্জস্যতা আছে?
  • ‘মার্শাল ল’ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য জনসাধারণের দৃঢ় বিশ্বাসেরই প্রতিফলন

    গত ৭ সেপ্টেম্বর আর্মড ফোর্সেস সিলেকশন বোর্ডের ভার্চুয়াল মিটিংয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘সামরিক অভিধান থেকে “মার্শাল ল” শব্দটি বাদ দেওয়া উচিত।’ প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্টবাদী এই বক্তব্য একইসঙ্গে বিস্ময়কর ও চিত্তাকর্ষক। বিস্ময়কর হলো এটির সময় এবং চিত্তাকর্ষক এর বিষয়বস্তু। প্রধানমন্ত্রী সামরিক বাহিনীকে তাদের অভিধান থেকে ‘মার্শাল ল’ বাদ দেওয়ার কথা বলে শুধু অভিধান থেকে একটি শব্দ বাদ দেওয়াই বোঝাননি। তিনি যা বোঝাতে চেয়েছেন, তার অর্থ কেবল এও নয় যে, এ ধরনের ঘটনার আর কখনও না ঘটুক। তিনি বুঝিয়েছেন, আমাদের সেনাবাহিনীর মন-মানসিকতা বা চিন্তা জগত থেকেও এটা বাদ দেওয়া উচিত।
  • অবিচার, তাতে কী?

    গত পরশু দ্য ডেইলি স্টারে দুটি বিপরীতমুখী প্রতিবেদনে প্রবাসী শ্রমিকদের প্রতি আমাদের দ্বি-মুখী মানসিকতা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। তাদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে আমরা রিজার্ভ ভারী করতে অনেক বেশি উৎসাহী থাকি। যে টাকাগুলো আমরা অপচয় করি কিংবা দুর্নীতিবাজদের হাতে তুলে দেই। যাতে তারা কানাডা, মালয়েশিয়া, দুবাই বা অন্য কোনো দেশে তাদের দ্বিতীয়, তৃতীয় বা এর চেয়েও বেশি সংখ্যক বাড়ি (আমরা এগুলোকে ভিলা বা প্রাসাদ বলব?) বানাতে পারে।
  • বঙ্গবন্ধু, দেশের মানুষই ছিল তার পৃথিবী

    সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হচ্ছে, তিনি মাত্র ৫৫ বছর বেঁচে ছিলেন (১৯২০-১৯৭৫)। আর এই অল্প সময়ের মধ্যে তিনি এত কিছু অর্জন করেছেন। দর্শন, সাহিত্য বা বিজ্ঞানের কোনো ক্ষেত্রে তার নাম লেখা নেই। কিন্তু, তার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে মানুষের মনে।
Top