মাহফুজ আনাম | The Daily Star Bangla
  • মাহফুজ আনাম

    মাহফুজ আনাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দ্য ডেইলি স্টার

  • লকডাউন বিশৃঙ্খলা

    কোভিড-১৯ মোকাবিলায় আমাদের এবারের প্রস্তুতি আরও অনেক ভালো হবে বলে প্রত্যাশা ছিল।
  • অশনি সংকেত সরকারের জন্যে, আমাদের জন্যেও

    হেফাজতে ইসলামের সাম্প্রতিক আন্দোলনের পেছনে লোক দেখানো কারণটি হচ্ছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর। কিন্তু আসল কারণ হচ্ছে এটাই সবাইকে জানানো যে হেফাজতে ইসলাম এখন আর তাদের সাবেক প্রধান শাহ আহমেদ শফী এবং তার অনুসারীদের নিয়ে গঠিত সংগঠনটির মতো নেই, তারা এখন নতুন নেতৃত্বে একটি নব্য রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার চেষ্টা করছে এবং তা সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মীয় বিশ্বাসকে রক্ষার ছদ্মবেশে। সঙ্গে এটিও প্রতীয়মান হয়েছে যে সরকার হেফাজত তোষণের যে নীতি নিয়েছিল, তা চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। আপস ও ছাড় দেওয়ার অপরিণামদর্শী মনোভাব দেখিয়ে তাদেরকে এতটাই শক্তিশালী করা হয়েছে যে তারা এখন রাষ্ট্রের মৌলিক চরিত্র বদলে দেওয়ার চেষ্টায় নেমেছে। বর্তমান পরিস্থিতি এটাই প্রমাণ করে যে ক্ষমতাসীন দল ক্ষমতার দাপট ও অহংকারে অন্ধ হয়ে সকল অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক মিত্রদেরকে পঙ্গু করে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
  • কারাবন্দির ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এখন মৃত্যুরও কারণ

    লেখক, সচেতন নাগরিক, মধ্যপন্থী বিরোধী কণ্ঠস্বর এবং চলমান ঘটনার পর্যবেক্ষক ও সমালোচক মুশতাক আহমেদ এখন মৃত। ময়না তদন্তের পরে তার মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ধারণা পেয়েছি। কিন্তু, মৃত্যুর আসল কারণ আমরা ইতোমধ্যেই জানি- একটি নিষ্ঠুর ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে যে কাউকে তুলে নেওয়া যায়, কারাবন্দি করা যায়, অস্পষ্ট ‘অপরাধে’র অগণিত অভিযোগ আনা যায় এবং মাসের পর মাস বিনা বিচারে, জামিন না দিয়ে, কোনো কারণ ব্যাখ্যা না করেই কারাগারে আটকে রাখা যায়। আমাদের এমন একটি ব্যবস্থা আছে যার কারণে ব্যক্তি স্বাধীনতা এখন ক্ষমতাসীনদের খেলার পুতুলে পরিনত হয়েছে। এসব ঘটনার যেন প্রতিকার নেই।
  • আল জাজিরার প্রতিবেদন, সরকারের প্রতিক্রিয়া এবং আমাদের সাংবাদিকতা

    গত ১ ফেব্রুয়ারি কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরায় প্রচারিত ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস মেন’ প্রতিবেদনটি আমাদের সরকার পরিচালনার কিছু দুর্বলতা প্রকাশ করেছে, যেখানে যোগ্যতা বিবেচনা না করে ব্যক্তিগত পছন্দ বা সম্পর্ককে প্রাধান্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগের প্রসঙ্গ এসেছে। সেই সঙ্গে প্রকাশ করেছে আমাদের গণমাধ্যম কতটা স্বাধীন, সেই বিষয়টিও।
  • usa-democracy-1.jpg

    গণতন্ত্রই সংশোধন করল গণতন্ত্রের ভুল

    আমেরিকানরা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে। চার বছর পর তারা আবার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেই ট্রাম্পকে পরাজিত করে তাদের সেই বিপর্যয়কর ভুল সংশোধন করে। মাঝের সময়টাতে ভুলের জন্য তাদের ভুগতে হয়েছে। তবে তারা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির প্রতি আস্থা হারায়নি, নিয়ম ভাঙেনি। চার বছর অপেক্ষা করে গণতন্ত্রের মাধ্যমেই ভুলকে ‘ঠিক’ করেছে।
Top