ড. খোন্দকার মেহেদী আকরাম | The Daily Star Bangla
  • ড. খোন্দকার মেহেদী আকরাম

    সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট, শেফিল্ড ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাজ্য

  • প্রথম ডোজ কোভিশিল্ড, দ্বিতীয় ডোজ স্পুটনিক বা সিনোফার্ম নেওয়া যাবে?

    বাংলাদেশে ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী কোভিড-১৯ এর টিকাদান কর্মসূচি শুরু হলেও এপ্রিলে এসে তা থমকে দাঁড়িয়েছে। মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে পর্যুদস্ত ভারত সব ধরনের ভ্যাকসিন রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ফলশ্রুতিতে সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে বাংলাদেশর অগ্রিম কেনা তিন কোটি ডোজ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা (কোভিশিল্ড) ভ্যাকসিন সময়মতো আসছে না। এ পর্যন্ত সেরাম থেকে পাওয়া গেছে ৭০ লাখ ডোজ, আর উপহার হিসেবে ভারত সরকার দিয়েছে ৩২ লাখ ডোজ। সব মিলিয়ে ভ্যাকসিন প্রাপ্তি এক কোটি দুই লাখ ডোজ। আগামী জুলাইয়ের আগে সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে ভ্যাকসিন পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
  • ভারতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট এবং বাংলাদেশের করণীয়

    ভারতে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। হাসপাতালগুলোতে তিল পরিমাণ জায়গা নেই। অসহায় মুমূর্ষু কোভিড রোগীরা হাসপাতালে শয্যা না পেয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে হয় খোলা বারান্দায়, নয়তো অ্যাম্বুলেন্সে। আবার কেউ কেউ চিকিৎসা না পেয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। আর কারো গন্তব্য হচ্ছে সরাসরি শ্মশান কিংবা গোরস্থানে। একদিকে হাসপাতাল ও আইসিইউতে শয্যার অভাব, অন্যদিকে দেশব্যাপী দেখা দিয়েছে মারাত্মক অক্সিজেন সংকট। অক্সিজেনের অভাবে দম আটকে মারা যাচ্ছে রোগীরা।
  • দ. আফ্রিকার ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন কতটা কার্যকর

    সাম্প্রতিক করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি দেখে ধারণা করা হচ্ছিল, ভাইরাসের কোনো নতুন স্ট্রেইনই হয়তো বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি যোগাযোগ। প্রতি মাসে হাজারো প্রবাসী দেশে ফিরছেন। আগেই দেশে ইউকে ভ্যারিয়েন্ট (বি.১.১.৭) শনাক্ত হয়েছিল। এসব মিলিয়ে ধারণা করা হচ্ছিল, ইউকে ভ্যারিয়েন্ট দিয়ে সংক্রমণের কারণেই হয়তো দেশে দ্বিতীয় ঢেউয়ের এই ঊর্ধ্বগতি।
  • দেশে করোনার নতুন স্ট্রেইন ছড়িয়ে পড়া রোধে করণীয়

    চলতি বছরের মার্চে মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর থেকেই বাংলাদেশে প্রতিদিন করোনা সংক্রমণের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে থাকে। স্বল্প সময়ের ব্যবধানেই হাসপাতালের সাধারণ ও আইসিইউ শয্যা ভরে যায় কোভিড রোগীতে। সেই সঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়তে থাকে। এই সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের নমুনায় পাওয়া গেছে যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন স্ট্রেইন, সেই জানুয়ারিতেই। এরই মধ্যে এই স্ট্রেইনগুলো দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে কি না, তা এখনো সরকারি পর্যায় থেকে জানানো হয়নি। একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন চলে এসেছে সবার সামনে। বর্তমানে করোনার সংক্রমণ দ্রুত বাড়ার জন্য কি এই নতুন স্ট্রেইনগুলোই দায়ী?
  • oxford-vaccine

    অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের কারণে রক্ত জমাট বাঁধা এবং আমাদের যত ভ্রান্তি!

    সারা পৃথিবীতে করোনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে টিকাদান কর্মসূচি। তারপরও মহামারিকে প্রতিহত করতে হিমশিম অবস্থা। একটি ঢেউয়ের পরে আরেকটি ঢেউ এসে কেঁড়ে নিচ্ছে হাজার হাজার প্রাণ। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়াসহ দক্ষিণ এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশে করোনা সংক্রমণ আবার বাড়ছে আশংকাজনক হারে।
Top