ইমরান মাহফুজ | The Daily Star Bangla
  • ইমরান মাহফুজ

    ইমরান মাহফুজের জন্ম ১০ অক্টোবর কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামে ১৯৯০। সম্পাদনা করেন কালের ধ্বনি। তার সম্পাদনা ও গবেষণা গ্রন্থ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স, মার্স্টাস ও এমফিলে পাঠ্য সহায়ক গ্রন্থ হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে গত ৪ বছর ধরে। তার ২টি কবিতার বইসহ প্রকাশিত গ্রন্থ ৮টি।

  • Jasim Uddin

    বাংলা ও বাঙালির কবি জসীম উদদীন

    “পাড়ার লোকেরা আমার কবিগান শুনে মন্তব্য করিত, কালে এই ছেলেটি চেষ্টা করিলে একজন বড় কবিয়াল হইবে। কিন্তু তাহাদের সে ভবিষ্যৎবাণী সফল হইল না। আমি কবিয়াল হইতে পারিলাম না, হইলাম কবি জসীম উদদীন।”
  • একাত্তরের অনন্য স্মৃতিসৌধ: কোল্লাপাথরের সমাধি

    বাংলাদেশের অন্যন্য স্মৃতিসৌধ; কোল্লাপাথরের টিলায় শায়িত ৫০ যোদ্ধার সমাধিস্থল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় একটি ছোট টিলার উপরে অবস্থিত। কসবা বাংলাদেশের একটি সীমান্তবর্তী উপজেলা যা মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নম্বর সেক্টরের আওতায় ছিল এবং এর পাশের ভারতের আগরতলা, যেখানে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল। প্রশিক্ষণ ক্যাম্প থাকার কারণে এ অঞ্চলটি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অন্যতম লক্ষ্যে পরিণত হয়েছিল।
  • একাত্তরের ঈদ!

    ১৯৭১ সালের নভেম্বরে মানুষ কেঁদেছে, কিন্তু বিজয়ের স্বপ্নও দেখেছে। এরকম এক মিশ্র অনুভূতির সময় হাজির হয়েছে ঈদ। কেমন ছিলো আমাদের সে সময়ে বৃহত্তর জনগোষ্ঠী মুসলিমদের ঈদ? অজানা অধ্যায় নিয়ে ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখি-
  • India tour

    শত-জোড়া চোখের ভারত দর্শন: প্রত্যাশা প্রাপ্তির সাতদিন!

    মানুষ গল্প বলতে ভালোবাসে। ভালোবাসে আনন্দে দিনাতিপাত করতে। একজীবন কারো কারো এভাবেই কাটে পাখির ছন্দে। পাখিরা আকাশে ওড়ে, মানুষ মাটিতে থেকে আকাশ দেখে। তবে সে দেখা ও জানা কখনো একলা হয় কখনো সঙ্গবদ্ধ। আর সঙ্গবদ্ধ হলেই আসে ভাবনা: পড়শি কেমন হবে, ভালো না মন্দ। উড়নচণ্ডী না দায়িত্বশীল- এ নিয়ে নানান কৌতূহল। কিন্তু যুগে যুগে সময়কে যারা অসাধারণ করেছেন প্রসঙ্গত তারা কী বলেন। জেনে নেওয়া যাক- ইবনে বতুতা বলেন, মানুষ যখন ভ্রমণে যায়, বিস্ময়ে হতভম্ব হয়। তারপর সেই গল্প না বলে পারে না। তাই একজন সাধারণ মানুষকে ভ্রমণ প্রথমে নির্বাক করে দেবে তারপর গল্প বলতে বাধ্য করবে। ফরাসি গাল্পিক গুস্তাভ ফ্লুবেয়ার বলেন, “ভ্রমণ মানুষকে বিনয়ী করে তোলে। সে জানতে পারে দুনিয়ার তুলনায় সে কত ক্ষুদ্র।”
  • Kishoreganj slaughter ground

    বরইতলা বধ্যভূমি: বিচারের আশায় ৩৬৫ শহীদ পরিবার

    ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও এদেশীয়দের সহযোগিতায় পরিকল্পিত গণহত্যা ও নির্যাতন শুরু করে প্রথম থেকেই। যার মাধ্যমে তারা বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দমন করতে চেয়েছিল। তাদের আসল উদ্দেশ্য ছিলো ২৬ মার্চের মধ্যে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সব বড় শহর দখল করে নেওয়া এবং রাজনৈতিক ও সামরিক বিরোধীদের এক মাসের ভেতর নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া।
Top