হোপের বীরত্বে রোমাঞ্চকর জয় পেল উইন্ডিজ | The Daily Star Bangla
১২:০১ অপরাহ্ন, ডিসেম্বর ১১, ২০১৮ / সর্বশেষ সংশোধিত: ০৯:২৬ অপরাহ্ন, ডিসেম্বর ১১, ২০১৮

হোপের বীরত্বে রোমাঞ্চকর জয় পেল উইন্ডিজ

রামিন তালুকদার

এক প্রান্তে উইকেট তুলে নিতে পেরেছিল টাইগাররা। কিন্তু অপর প্রান্তে বুক চিতিয়ে লড়াই করলেন শাই হোপ। মাঝে সঙ্গি হিসেবে কখনো পেলেন ড্যারেন ব্রাভোকে, কখনো মারলন স্যামুয়েলসকে, কখনো কিমো পলকে। তার বীরত্বেই হাড় মানল টাইগারদের সব প্রতিরোধ। দলকে জয়ের বন্দরে নিয়েই মাঠ ছাড়েন এ ওপেনার। তাতে ৪ উইকেটের রোমাঞ্চকর জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল উইন্ডিজ।

ওপেনিংয়ে নেমে শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করেছেন হোপ। খেলেছেন হার না মানা ১৪৬ রানের ইনিংস। যা তার ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসও বটে। ১৪৪ বলের এ ইনিংস খেলতে ১টি চারের পাশাপাশি ৩টি ছক্কা মেরেছেন এ ওপেনার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭ রানের ইনিংস আসে ব্রাভোর ব্যাট থেকে। স্যামুয়েলস খেলেন ২৬ রানের ইনিংস। শেষ দিকে পলের ব্যাট থেকে আসে মূল্যবান ১৮টি রান। তাতেই ২ বল হাতে রেখে জয় পায় দলটি।

শেষ ৩ ওভারে উইন্ডিজের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৩২ রান। ৪৮তম ওভারে ১০ রান দেন রুবেল হোসেন। এরপরের ওভারে টাইগারদের সব আশা ছিল মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে। কিন্তু হতাশ করেন তিনি। সে ওভারে ১৬ রান দিলে কার্যত শেষ হয়ে যায় টাইগারদের আশা। মাহমুদউল্লাহর করা শেষ ওভারে প্রয়োজনীয় ৬ রান তুলে নিতে কোন সমস্যা হয়নি সফরকারীদের।

বাংলাদেশের পক্ষে দারুণ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছিলেন সাকিব আল হাসান। ১০ ওভারে ২৮ রান দিয়েছেন তিনি। যদিও উইকেট পাননি। টাইগারদের পক্ষে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন রুবেল ও মোস্তাফিজ।

রোমাঞ্চকর এ জয়ে সিরিজে সমতা ফেরালো ক্যারিবিয়ানরা। আগামী শুক্রবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামেই হচ্ছে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ২৫৫/৭ (তামিম ৫০, লিটন ৮, ইমরুল ০, মুশফিক ৬২, সাকিব ৬৫, মাহমুদউল্লাহ ৩০, সৌম্য ৬,  মাশরাফি ৬*, মিরাজ ১০*; রোচ ১/৩৯, টমাস ৩/৫৪, চেজ ০/২২, পল ১/৬৮, বিশু ১/২৭, পাওয়েল ১/৪১)।

উইন্ডিজ: ৪৯.৪ ওভারে ২৫৬/৬ (হেমরাজ ৩, হোপ ১৪৬*, ব্রাভো ২৭, স্যামুয়েলস ২৬, হেটমায়ার ১৪, পাওয়েল ১, চেজ ৯, পল ১৮*; সাকিব ০/২৮, মিরাজ ১/৩৯, মোস্তাফিজ ২/৬৩, মাশরাফি ১/৫২, মাহমুদউল্লাহ ০/১২, রুবেল ২/৫৭)।

ফলাফল: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪ উইকেটে জয়ী।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ: শাই হোপ

পলকে জীবন দিলেন অপু

বল হাতে নিয়ে উইকেট প্রায় পেয়েই যাচ্ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তার বলে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে মিডউইকেটে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন কিমো পল। কিন্তু সে ক্যাচ লুফে নিতে পারেননি দ্বাদশ খেলোয়াড় নাজমুল ইসলাম অপু। এ সময়ে ৬ রানে ব্যাট করছিলেন পল।

৪৪ ওভার শেষে উইন্ডিজের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২১২ রান। শাই হোপ ১১৩ ও পল ৮ রানে ব্যাট করছেন। জিততে হলে এখনও উইন্ডিজের প্রয়োজন ৪৪ রান।  

দুইশ পার হলো উইন্ডিজের ইনিংস

শাই হোপের সেঞ্চুরিতে কক্ষপথেই আছে উইন্ডিজ। এরমধ্যেই দুইশত রানের কোটা পার করেছে দলটি। এগিয়ে যাচ্ছে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যপথে। ৪১.১ ওভারে (২৪৮ বলে) দুইশত রানের কোটা স্পর্শ করে সফরকারীরা।

৪২ ওভার শেষে উইন্ডিজের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২০৫ রান। হোপ ১০৭ ও কিমো পল ৬ রানে ব্যাট করছেন। জিততে হলে এখনও উইন্ডিজের প্রয়োজন ৫১ রান।

হোপের সেঞ্চুরি

এক প্রান্তে উইকেট তুলে নিতে পারছেন টাইগাররা। কিন্তু অপর প্রান্তটা অনড়। দারুণ ব্যাটিং করে উইন্ডিজের আশা এখনও জিইয়ে রেখেছেন ওপেনার শাই হোপ। এর মধ্যেই ওয়ানডে ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন এ ব্যাটসম্যান। ১১৮ বলে ৭টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে এ রান করেছেন হোপ।

৪১ ওভার শেষে উইন্ডিজের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৯৫ রান। ১০০ রানে ব্যাট করছেন হোপ। কিমো পল উইকেটে আছেন ৫ রানে। জিততে হলে এখন অতিথিদের প্রয়োজন ৬১ রান।

চেজকে ফেরালেন মোস্তাফিজ

উইন্ডিজ শিবিরে আবার আঘাত হেনেছেন টাইগাররা। রোস্টন চেজকে ফিরিয়েছেন কাতার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। তার বলে ড্রাইভ করতে গিয়েছিলেন চেজ। ঠিকভাবে করতে না পারায় মিডঅনে সহজ ক্যাচ লুফে নিয়েছেন তামিম ইকবাল। ১৮ বলে ৯ রান করেছেন চেজ।

৩৯ ওভার শেষে উইন্ডিজের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৮৫ রান। তবে এক প্রান্ত ধরে রেখেছেন ওপেনার শাই হোপ। উইকেটে আছেন ৯৫ রানে। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন কিমো পল।

পাওয়েলকে ফিরিয়ে মাশরাফির প্রথম শিকার

উইন্ডিজ অধিনায়ক রভম্যান পাওয়েলকে শুরুতেই ফিরিয়েছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। তৃতীয় স্পেলে বল হাতে নিয়ে প্রথম ওভারেই আঘাত হানেন টাইগার অধিনায়ক। মিডঅনের উপর দিয়ে খেলতে গিয়ে সহজ ক্যাচ তুলে দেন সৌম্য সরকারের হাতে। ২ বলে ১ রান করেছেন পাওয়েল।

৩৪ ওভার শেষে উইন্ডিজের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৫৯ রান। ৭৮ রানে ব্যাট করছেন শাই হোপ। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন রোস্টন চেজ।

হেটমায়ারকে ফেরালেন রুবেল 

ইমরুল কায়েস সহজ ক্যাচ ছাড়লেই ভুল করলেন না বদলি ফিল্ডার নাজমুল ইসলাম অপু। শূন্য রানে জীবন পাওয়া হেটমায়ারকে পরের ওভারেই ১৪ রানে আউট করেছেন রুবেল হোসেন। রুবেলের বলে হাফ হার্টেট ফ্লিক  খেলতে গিয়ে স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তিনি। 

৩৩ ওভার শেষে উইন্ডিজের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৫৪ রান। ৭৭ রানে ব্যাট করছেন শাই হোপ। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন রভম্যান পাওয়েল।

হেটমায়ারকে জীবন দিলেন ইমরুল

টেস্ট সিরিজে দারুণ ব্যাটিং করেছিলেন শিমরন হেটমায়ার। বড় দৈর্ঘের ম্যাচেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন কতটা ছন্দে আছেন তিনি। সেই হেট মায়ারকে জীবন দিলেন ইমরুল কায়েস। রুবেল হোসেনের বলে পুল করে ফাইন লেগে সহজ ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন এ ক্যারিবিয়ান। কিন্তু সে সুযোগ লুফে নিতে না পারলেন না ইমরুল।

৩১ ওভার শেষে উইন্ডিজের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৩৭ রান। ৭১ রানে ব্যাট করছেন শাই হোপ। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন শিমরন হেটমায়ার।

স্যামুয়েলসকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙলেন রুবেল

আগের বলেই চার মেরেছিলেন মারলন স্যামুয়েল। ব্যাটের কানায় লেগে সীমানা পার হলে হতাশা বেড়েছিল টাইগারদের। বিশেষ করে বোলার মোস্তাফিজুর রহমানের। তার উপর শাই হোপের ৬২ রানের দারুণ জুটি গড়েছেন স্যামুয়েলস। ক্রমেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছিলেন। তবে পরের বলেই তার জবাবটা দিয়েছেন এ পেসার। দারুণ এক আউটসুইঙ্গারে পরাস্ত করেছেন স্যামুয়েলসকে। উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহীমের তালুবন্দি করে ফিরিয়েছেন তাকে। তবে এর আগে ৪৫ বলে ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৭ রান করেছেন স্যামুয়েলস।

৩০ ওভার শেষে উইন্ডিজের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৩২ রান। ৬৮ রানে ব্যাট করছেন শাই হোপ। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন শিমরন হেটমায়ার।

হোপ-স্যামুয়েলস জুটিতে পঞ্চাশ

দারুণ ব্যাট করে উইন্ডিজকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন শাই হোপ ও মারলন স্যামুয়েলস। তৃতীয় উইকেটে এ দুই ব্যাটসম্যান এর মধ্যেই গড়েছেন পঞ্চাশ রানের জুটি। ৬৯ বলে এসেছেন এ জুটির অর্ধশত রান।

২৮ ওভার শেষে উইন্ডিজের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১২০ রান। হোপ ৬১ ও স্যামুয়েলস ২১ রানে ব্যাট করছেন।

উইন্ডিজের দলীয় শতরান

৭০ রানে দুই উইকেট পতনের পর মারলন স্যামুয়েলসকে নিয়ে দলের হাল ধরেছেন ওপেনার শাই হোপ। দারুণ ব্যাটিং করে দলীয় শতরান পূর্ণ করেছে দলটি। ২৪ ওভার (১৪৬ বলে) এসেছে দলের শতরান।

২৪ ওভার শেষে উইন্ডিজের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১০০ রান। হোপ ৫২ ও স্যামুয়েলস ১৪ রানে ব্যাট করছেন।

শাই হোপের ফিফটি

এক প্রান্তে দারুণ ব্যাটিং করে যাচ্ছেন উইন্ডিজ শাই হোপ। এরমধ্যেই ওয়ানডে ক্যারিয়ারের অষ্টম হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন এ ব্যাটসম্যান। দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে ৬৭ বলে ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় নিজের পঞ্চাশ পূরণ করেন এ ওপেনার। 

ব্রাভোকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙলেন রুবেল

উইকেটে নেমেই সাবলীল ব্যাটিং করছিলেন ড্যারেন ব্রাভো। শাই হোপের সঙ্গে ৬৫ রানের দারুণ এক জুটি গড়ে চোখ রাঙাচ্ছিলেন টাইগারদের। তবে এ জুটি ভেঙেছেন রুবেল হোসেন। বল হাতে নিয়ে প্রথম ওভারেই ফিরিয়েছেন ব্রাভোকে। তার লেগ স্টাম্পে রাখা বলে ফ্লিক করতে গিয়ে বোল্ড হয়ে যান ব্রাভো। ৪৩ বলে ১টি করে চার ও ছক্কায় ২৭ রান করেছেন এ ব্যাটসম্যান।

১৭ ওভার শেষে উইন্ডিজের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৭০ রান। ৩৮ রানে ব্যাট করছেন হোপ। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন মারলন স্যামুয়েলস।  

হোপ-ব্রাভো জুটিতে পঞ্চাশ

দ্বিতীয় উইকেটে দারুণ ব্যাটিং করছেন শাই হোপ ও ড্যারেন ব্রাভো। টাইগারদের দেওয়া লক্ষ্য তাড়ায় এর মধ্যেই তারা পঞ্চাশ রানের জুটি গড়েছেন। টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার ওভারে ছক্কা হাঁকিয়ে জুটির পঞ্চাশ পূর্ণ করেন হোপ। ৭৮ বলে এসেছে এ জুটির অর্ধশত।

১৫ ওভার শেষে উইন্ডিজের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৬২ রান। ৩৩ রানে ব্যাট করছেন হোপ। ব্রাভো উইকেটে আছেন ২৪ রানে।

উইন্ডিজের দলীয় পঞ্চাশ

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট এনে দিয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে দ্বিতীয় উইকেটে ঘুরে দাঁড়িয়েছে উইন্ডিজ। ড্যারেন ব্রাভোকে সঙ্গে নিয়ে এর মধ্যেই দলীয় পঞ্চাশ রান তুলে নিয়েছেন শাই হোপ। ১৪.২ ওভারে (৮৬ বলে) এসেছে দলীয় পঞ্চাশ রান।

মিরাজের প্রথম আঘাত

ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসের শুরুতেই আঘাত হেনেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দ্বিতীয় ওভারে তার বলে এলবডব্লিউ হয়ে ফিরে গেছেন কিয়েরেন পাওয়েলের জায়গায় খেলতে নামা চন্দরমল হেমরাজ। ৬ বলে ৩ রান করেছেন এ ওপেনার।

২ ওভার শেষে উইন্ডিজের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৮ রান। শাই হোপ ৩ রানে ব্যাট করছেন। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন ড্যারেন ব্রাভো। 

দুই প্রান্তে আবারও স্পিন দিয়ে শুরু

প্রথম ওয়ানডের মতো দ্বিতীয় ম্যাচেও দুই প্রান্তে স্পিন দিয়ে বোলিং আক্রমণ শুরু করিয়েছেন মাশরাফি মর্তুজা। ইনিংসের প্রথম ওভার সাকিব আল হাসানকে দিয়ে শুরু করার পর দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো দুই প্রান্তে স্পিন দিয়ে শুরু করল টাইগাররা। 

তিন ফিফটিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৫৫/৭

সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহীম ও তামিম ইকবাল করলেন হাফসেঞ্চুরি। আর এ তিন ফিফটিতে ভর করেই লড়াই করার সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ দল। ৭ উইকেটে ২৫৫ রান করেছে স্বাগতিকরা। সিরিজে সমতা ফেরাতে হলে তাই উইন্ডিজের লক্ষ্যটা ২৫৬ রানের।

ইনিংসে শুরুতে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন লিটন দাস। এরপর দ্রুত বিদায় নেন ইমরুল কায়েস। এরপর মুশফিকের সঙ্গে তামিমের প্রতিরোধ। শতাধিক রানের জুটি গড়েই ইনিংস মেরামত করেন। এরপর দ্রুতই ফেরেন এ দুই ব্যাটসম্যান। সাময়িক ধাক্কাটা মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে সামাল দেন সাকিব। তাতেও লড়াকু সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ।

তবে ইনিংসটা লম্বা হতে পারতো আরও। সাকিব যখন আউট হন তখন দলের রান ছিল ৪৭ ওভারে ৭ উইকেটে ২৩৯ রান। কিন্তু শেষ তিন ওভারে আসে মাত্র ১৬ রান। ফলে ২৫৫ রানেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় টাইগারদের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ২৫৫/৭ (তামিম ৫০, লিটন ৮, ইমরুল ০, মুশফিক ৬২, সাকিব ৬৫, মাহমুদউল্লাহ ৩০, সৌম্য ৬,  মাশরাফি ৬*, মিরাজ ১০*; রোচ ১/৩৯, টমাস ৩/৫৪, চেজ ০/২২, পল ১/৬৮, বিশু ১/২৭, পাওয়েল ১/৪১)।

রোচের স্লোয়ারে আউট সাকিব

শুরুতে ধীর গতিতে আগালেও ধীরে ধীরে খোলস ভেঙে বেশ আগ্রাসী ব্যাটিং করছিলেন সাকিব আল হাসান। ফিফটিও তুলে নিয়েছেন। তবে তাকে ফেরাতে পেরেছে উইন্ডিজ। কেমার রোচের স্লোয়ারে পরাস্ত হয়ে বোল্ড হয়ে গেছেন তিনি। ৬২ বলে ৬টি চার ও ১টি ছক্কায় ৬৫ রানের ইনিংস খেলেছেন সাকিব।

৪৭ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২৩৯ রান। ও রানে ব্যাট করছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

পলের বলে লিটনের বিদায়

এক প্রান্তে বেশ হাত খুলে ব্যাট করছেন সাকিব আল হাসান। তার সঙ্গে যোগ দিতে গিয়েছিলেন লিটন দাসও। কিন্তু পারেননি। কিমো পলের বলে লংঅনে হেটমায়ারের তালুবন্দি হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন এ ব্যাটসম্যান। ১৪ বলে ৮ রান করেছেন লিটন।

৪৬ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২৩৪ রান। ৬১ রানে ব্যাট করছেন সাকিব। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

সাকিবের ফিফটি

আগের বলেই ক্যাচ উঠিয়ে দিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। তবে নো বল হওয়ায় সে যাত্রা বেঁচে গিয়েছেন তিনি। ফ্রিহিটে মিডউইকেট ও লংঅনের মাঝ দিয়ে দারুণ এক ছক্কা হাঁকালেন এ অলরাউন্ডার। তাতে স্পর্শ করলেন ক্যারিয়ারের ৪০তম ফিফটি। ৫৪ বলে ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি।

৪৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২২৯ রান। সাকিব ৫৭ ও লিটন ৭ রানে ব্যাট করছেন।

সৌম্যকে ফেরালেন টমাস

চার ওপেনারের দোলাচলে সাত নম্বরে ব্যাট করতে হচ্ছে সৌম্য সরকারকে। তবে দারুণ ছন্দে থাকা এ ব্যাটসম্যান সুবিধা করতে পারেননি। ওশেন টমাসের বাউন্সারে আপারকাট করতে গিয়ে থার্ডম্যানে ধরা পড়েছেন তিনি। বলে যতটা গতি আশা করেছিলেন ঠিক ততটা না থাকায় ব্যক্তিগত ৮ রানে ফিরতে হয় তাকে।

সৌম্যর বিদায়ে আবার উইকেটে ফিরেছেন লিটন কুমার দাস। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই গোড়ালিতে আঘাত পেয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন তিনি। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৩ ওভারে ৫ উইকেটে ২০৮ রান। ৩৯ রানে ব্যাট করছেন সাকিব আল হাসান।  

দুইশ পার হলো টাইগারদের সংগ্রহ

দুইশত রানের কোটা পার করেছে বাংলাদেশ দল। তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহীমের শতরানের জুটির পর মাহমুদউল্লাহ ও সাকিবের জুটিতে আসে অর্ধশতর জুটি। ফলে ৪১.১ ওভারে (২৫১ বলে) এসেছে দলের দুইশত রান।

৪২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২০৪ রান। সাকিব ৩৭ ও সৌম্য সরকার ৪ রানে ব্যাট করছেন।

মাহমুদউল্লাহকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙলেন পাওয়েল

সাকিব আল হাসানের সঙ্গে হঠাৎ চাপে পড়া দলকে পথ দেখাচ্ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। ৬১ রানের দারুণ জুটিও গড়েছিলেন তারা। কিন্তু তৃতীয় পাওয়ার প্লের শুরুতে হাত খুলে খেলতে গিয়ে আউট হয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। রভম্যান পাওয়েলের বলে ছক্কা হাঁকাতে গেলে ব্যাটের কানায় লেগে উঠে যায় আকাশে। কভারে শিমরন হেটমায়ারের তালুবন্দি হওয়ার আগে ৫১ বলে ৩০ রান করেছেন এ ব্যাটসম্যান।

৪১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৯৯ রান। সাকিব আল হাসান ৩৫ রানে ব্যাট করছেন। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন সৌম্য সরকার।  

সাকিব-মাহমুদউল্লাহ জুটিতে পঞ্চাশ

দুই সেট ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহীমের বিদায়ে হঠাৎই চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। তবে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে সাকিব আল হাসানের জুটিতে এ চাপ সামলে উঠেছে টাইগাররা। এর মধ্যেই তাদের জুটিতে এসেছে পঞ্চাশ রান। ৭৭ বলে এসেছে এ জুটির অর্ধশত।

৪০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৮৫ রান। সাকিব ২৯ ও মাহমুদউল্লাহ ২৯ রানে ব্যাট করছেন।

মুশফিককে ফেরালেন টমাস

তামিম ইকবালের পর ইনিংস বড় করতে পারলেন না মুশফিকুর রহীমও। ওশেন টমাসের বলে জায়গায় দাঁড়িয়ে খোঁচা মারার খেসারত দিয়েছেন তিনি। আউট হয়েছেন উইকেটরক্ষক শাই হোপের তালুবন্দি হয়ে। দলীয় ১৩২ রানে ৩ উইকেট হারানোয় হঠাৎ চাপে পড়েছে টাইগাররা। ৮০ বলে ৫টি চারের সাহায্যে ৬২ রান করেছেন মুশফিক।

২৭ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৩৪ রান। ২ রানে ব্যাট করছেন সাকিব আল হাসান। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন মাহমুদউল্লাহ।

ফিফটি করেই তামিমের বিদায়

শুরু থেকেই দারুণ ব্যাট করে হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। কিন্তু হাফসেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পরই আউট হয়েছেন এ ব্যাটসম্যান। দেবেন্দ্র বিশুর বলে মিড উইকেট সীমানার উপর দিয়ে ছক্কা হাঁকাতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সীমানায় কেমার রোচের হাতে ধরা পড়েন এ ওপেনার। ৬৩ বলে ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫০ রান করেছেন তামিম।

২৪ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১২৭ রান। ৫৯ রানে ব্যাট করছেন মুশফিকুর রহীম। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন সাকিব আল হাসান।  

তামিমের হাফসেঞ্চুরি

ইনজুরি থেকে ফিরে আগের ম্যাচে দারুণ শুরু করলেও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি তামিম ইকবাল। তবে দ্বিতীয় ম্যাচেই নিজের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছেন এ ওপেনার। এরমধ্যেই তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের ৪৩তম হাফসেঞ্চুরি। ৬০ বলে নিজের ফিফটি স্পর্শ করেছেন এ ওপেনার।

২৩ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১২৪ রান। মুশফিক ৫৭ ও তামিম ৫০ রানে ব্যাট করছেন।

মুশফিক-তামিম জুটিতে একশ রান

আরও একটি একশ রানের জুটি উপহার দিলেন তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহীম। এ নিয়ে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ পাঁচবার একশ রানের বড় জুটি গড়লেন এ দুই ব্যাটসম্যান। ১৪ রানে ইমরুল কায়েসকে হারানোর পর দারুণ ব্যাটিং করে ১২০ বলে এসেছে এ জুটির শতরান।

২২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১১৬ রান। মুশফিক ৫১ ও তামিম ৪৯ রানে ব্যাট করছেন।

মুশফিকের হাফসেঞ্চুরি

উইকেটে নেমেই সাবলীল ব্যাট করে চলেছেন মুশফিকুর রহীম। মাঝে অবশ্য একবার তার বিপক্ষে এলবিডব্লিউর জোরালো আবেদনে রিভিউ নিয়েছিল উইন্ডিজ। তবে দারুণ ব্যাট করে এর মধ্যেই তুলে নিয়েছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩২তম হাফসেঞ্চুরি। ৬২ বলে ফিফটি স্পর্শ করেছেন মুশফিক।

দলীয় শতরান পার করল বাংলাদেশ

মুশফিকুর রহীমের সঙ্গে তামিম ইকবালের দারুণ এক জুটিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এর মধ্যেই এসেছে দলীয় শত রান। ১৮.৩ ওভারে (১১৫ বলে) আসে দলের একশ রান।

১৯ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১০১ রান। মুশফিক ৪৫ ও তামিম ৪০ রানে ব্যাট করছেন।

মুশফিক-তামিম জুটিতে পঞ্চাশ

শুরুতে লিটন দাসের চোটের পর আউট হয়েছেন ইমরুল কায়েস। এরপর দলের হাল মুশফিকুর রহীমকে নিয়ে ধরেছেন তামিম ইকবাল। এরমধ্যেই পঞ্চাশ রানের জুটি গড়েছেন এ দুই ব্যাটসম্যান। ৫০ বলে এসেছে এ জুটির ৫০ রান।

১৪ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৮৪ রান। ৩৩ রানে ব্যাট করছেন তামিম ইকবাল। মুশফিকুর রহীম উইকেটে আছেন ৩৬ রানে।

গুরুতর নয় লিটনের চোট

ধারণা করা হয়েছিল বেশ গুরুতর আঘাত পেয়েছেন লিটন। চিড়েরও আশঙ্কা ছিল। তবে সব শঙ্কা কেটেছে এক্স-রে রিপোর্টে। জানা গেছে তার পায়ে কোন চিড় নেই। ব্যাথা কমলে দলের প্রয়োজনে ব্যাটিং করতে পারবেন তিনি। ওশান টমাসের ইয়র্কার লেন্থের তৃতীয় বল ফ্লিক করতে ডান পায়ের গোড়ালিতে আঘাত পেয়ে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছেড়েছিলেন লিটন।

বাংলাদেশের দলীয় পঞ্চাশ

লিটন দাসের চোট ও ইমরুল কায়েসের বিদায়ে শুরুতে চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। তবে তৃতীয় উইকেটে ঘুরে দাঁড়িয়েছে টাইগাররা। মুশফিকুর রহীমের সঙ্গে তামিম ইকবালের জুটিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এরমধ্যেই দলের রান পঞ্চাশ পার করেছে। ১৪.৪ ওভারে (৬৬ বলে) এসেছে এ রান।

১১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৬১ রান। ৩০ রানে ব্যাট করছেন তামিম ইকবাল। মুশফিকুর রহীম উইকেটে আছেন ১৬ রানে।

শুরুতেই ইমরুলের বিদায়

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওপেনিংয়ে নেমে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছিলেন ইমরুল কায়েস। সে ধারায় উইন্ডিজ সিরিজেও দলে ছিলেন তিনি। এদিন লিটন চোটে পরায় দ্রুতই মাঠে নামতে হয় তাকে। কিন্তু হতাশই করলেন তিনি। টমাস ওশেনের বলে খোঁচা মারতে গিয়ে উইকেটরক্ষক শাই হোপের হাতে ধরা পড়েছেন তিনি। ৬ বল খেলে কোন রান করতে পারেননি এ ওপেনার।

বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ ওভারে ১ উইকেটে ১৮ রান। ৫ রান নিয়ে ব্যাট করছেন তামিম ইকবাল। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন মুশফিকুর রহীম।

চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন লিটন

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই মাঠ ছাড়তে হলো লিটন দাসকে। তবে আউট হয়ে নয়, চোট পেয়ে। ওশান টমাসের একটি ইয়র্কারে ফ্লিক করতে গিয়ে বল লাগে তার পেছনের পায়ের গোড়ালিতে। তবে দৌড়ে একটি রান নিয়েছিলেন। গিয়েই শুয়ে পড়েন। এরপর প্রাথমিক চিকিৎসার পর স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়েন এ ওপেনার। মাঠ ছাড়ার আগে ৫ রান করেছেন লিটন।

২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১২ রান। তামিম ইকবাল ৪ রানে ব্যাট করছেন। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন ইমরুল কায়েস।

১০০তম ম্যাচের মাইলফলকে সেরা পাঁচ

অনেক দিন থেকে বাংলাদেশ দলের অন্যতম ভরসার নাম পাঁচ অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহীম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এদিন অন্যরকম এক সেঞ্চুরি করতে যাচ্ছেন এ পাঁচ ক্রিকেটার। একত্রে ১০০তম ম্যাচে মাঠে নামছেন তারা। এর আগে ৯৯ ম্যাচের মধ্যে টেস্ট ১টি, ওয়ানডে ৬৯ এবং ২৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন একত্রে।

২০০৭ সালে মাহমুদউল্লাহর অভিষেক দিয়ে শুরু হয় পঞ্চপাণ্ডবের পথা চলা। ২০১৮ সাল পর্যন্ত নানা চড়াই-উতরাই পার হয়ে এখন দলে কাণ্ডারি এ পাঁচ খেলোয়াড়। একযুগের এ সময়ে ৪৭টি ম্যাচে নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন, ৪৮টি ম্যাচ হেরেছেন, আর ৪টি ম্যাচে কোন ফল আসেনি। জয়ের গড় ২৯.৫ শতাংশ।

অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে বাংলাদেশ

আগের ম্যাচে চার ওপেনার ও তিন পেসার নিয়ে খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। চিত্র বদালায়নি দ্বিতীয় ম্যাচেও। মূলত অপরিবর্তিত দল নিয়েই এদিন মাঠে নেমেছে টাইগাররা।

এর আগে প্রথম ওয়ানডেতে সহজই জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে টাইগার বোলারদের তোপে প্রথমে মাত্র ১৯৫ রান করতে পেরেছিল উইন্ডিজ। সে লক্ষ্য ৮৯ বল হাতে রেখে সহজেই ৫ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল মাশরাফিবাহিনী।

বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, লিটন কুমার দাস, সাকিব আল হাসান, ইমরুল কায়েস, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহীম, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদী হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মুর্তজা, রুবেল হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান।

উইন্ডিজ একাদশে এক পরিবর্তন

তবে পরিবর্তন এসেছে উইন্ডিজ একাদশে। অফফর্মে থাকা ওপেনার কিয়েরেন পাওয়েলকে বাদ দিয়েছে দলটি। তার জায়গায় একাদশে ঢুকেছেন চন্দরপল হেমরাজ।

উইন্ডিজ একাদশ: চন্দরপল হেমরাজ, শাই হোপ, ড্যারেন ব্রাভো, মারলন স্যামুয়েলস, শিমরন হেটমায়ার, রোস্টন চেজ, রভম্যান পাওয়েল, দেবেন্দ্র বিশু, কিমু পল, কেমার রোচ ও ওশেন টমাস।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে উইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। এ ম্যাচ জিতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করতে চায় টাইগাররা। তবে ভাগ্য পরীক্ষায় হেরেছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উইন্ডিজ অধিনায়ক রভম্যান পাওয়েল। মানে শুরুতে ব্যাটিং করতে হবে টাইগারদের। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বেলা ১টায়।

Stay updated on the go with The Daily Star Android & iOS News App. Click here to download it for your device.

Grameenphone and Robi:
Type START <space> BR and send SMS it to 2222

Banglalink:
Type START <space> BR and send SMS it to 2225

পাঠকের মন্তব্য

Top