১৯ বছরের হালান্ডের সঙ্গে পেরে উঠলেন না নেইমাররা | The Daily Star Bangla
০৪:০০ পূর্বাহ্ন, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০ / সর্বশেষ সংশোধিত: ০২:৫৪ অপরাহ্ন, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০

১৯ বছরের হালান্ডের সঙ্গে পেরে উঠলেন না নেইমাররা

স্পোর্টস ডেস্ক

চোট কাটিয়ে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) জার্সিতে ফিরলেন নেইমার। খেললেন ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত। ব্রাজিলিয়ান তারকা ফরোয়ার্ড পেলেন গোলও। কিন্তু ম্যাচের নায়ক তিনি নন, বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের জার্সিতে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অভিষিক্ত আর্লিং ব্রাট হালান্ড! ১৯ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার করলেন জোড়া গোল। তার নৈপুণ্যে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল ডর্টমুন্ড।

মঙ্গলবার রাতে ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে পিএসজির বিপক্ষে ২-১ গোলে জিতেছে লুসিয়েন ফাভ্রের শিষ্যরা। সবগুলো গোল হয়েছে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে। নরওয়েজিয়ান তরুণ হালান্ড দুবার লক্ষ্যভেদের মাঝে পিএসজিকে কিছু সময়ের জন্য সমতায় ফিরিয়েছিলেন নেইমার।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চলতি আসরে সাত ম্যাচে হালান্ডের গোল সংখ্যা এখন দশটি। বায়ার্ন মিউনিখের রবার্ট লেওয়ানডস্কির সঙ্গে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে আছেন তিনি। গেল জানুয়ারিতে জার্মান ক্লাব ডর্টমুন্ডে যোগ দেওয়ার আগে অস্ট্রিয়ার ক্লাব সালজবুর্গের হয়ে গ্রুপ পর্বের ছয় ম্যাচে আট গোল করছিলেন তিনি।

সিনিয়াল ইদুনা পার্কে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে শুরু থেকে জমে ওঠে লড়াই। সুযোগ তৈরিতে দুদল সমানে সমান দক্ষতা দেখালেও বল দখলে কিছুটা এগিয়ে ছিল পিএসজিই। টমাস টুখেলের শিষ্যরা দুর্ভাগাও বটে! ম্যাচের ৮১তম মিনিটে নেইমারের জোরালো শট পোস্টে বাধা পেয়ে ফিরে আসে। তাতে সমতায় ফেরা হয়নি ফরাসি লিগ চ্যাম্পিয়নদের। তারা মাঠ ছাড়ে হারের তেতো স্বাদ নিয়ে।

ম্যাচে গোল করার প্রথম সুযোগটি পেয়েছিল অতিথি পিএসজি। দশম মিনিটে নেইমারের নেওয়া ফ্রি-কিক অবশ্য লক্ষ্যে থাকেনি। প্রথমার্ধে এগিয়ে যেতে পারত ডর্টমুন্ডও। তবে বেশ কয়েকটি দারুণ সুযোগ তারা কাজে লাগাতে পারেনি। ২৭তম মিনিটে এমরে চানের পাস ধরে ডি-বক্সে ঢুকে কোণাকুণি শট নেন ইংলিশ ফরোয়ার্ড জ্যাডন সাঞ্চো। তার প্রচেষ্টা রুখে দেন পিএসজি গোলরক্ষক কেইলর নাভাস। আট মিনিট পর হালান্ডের শট জাল ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।

বিরতির পর ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় ডর্টমুন্ড। রাফায়েল গেরেইরোর শট পিএসজির এক ডিফেন্ডারের পায়ে লাগার পর ফাঁকায় বল পেয়ে যান হালান্ড। গোলপোস্টের একদম সামনে থেকে ঠাণ্ডা মাথায় ডান পায়ের আলতো টোকায় নাভাসকে পরাস্ত করতে ভুল হয়নি তার।

ম্যাচের প্রায় পুরো সময়ে পিএসজির তারকাখচিত আক্রমণভাগকে বেঁধে রেখেছিল ডর্টমুন্ড। তবে খেলার ধারার বিপরীতে ৭৫তম মিনিটে সমতায় ফেরে প্যারিসিয়ানরা। ফরাসি স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপে প্রতিপক্ষের দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ডান প্রান্ত থেকে ক্রস করেন গোলমুখে। অরক্ষিত নেইমার অনায়াসে বাকিটা সারেন। পাঁজরের চোটে পিএসজির আগের টানা চার ম্যাচে খেলতে পারেননি ২৮ বছর বয়সী তারকা।

পিএসজির স্বস্তি স্থায়ী হয়নি দুই মিনিটও। চোখ ধাঁধানো এক গোল করে ডর্টমুন্ডকে ফের এগিয়ে নেন হালান্ড। এই গোলটিই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়। নিজেদের অর্ধ থেকে গোছালো আক্রমণে ওঠে স্বাগতিকরা। মাঝমাঠ থেকে বদলি মিডফিল্ডার জিওভান্নি রেইনা পাস দেন হালান্ডকে। প্রথম ছোঁয়ায় নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ২২ গজ দূর থেকে বাঁ পায়ের বুলেট গতির শটে পিএসজির জাল কাঁপান তিনি।

আগামী ১২ মার্চ ঘরের মাঠ পার্ক দে প্রিন্সেসে ফিরতি লেগের লড়াইয়ে ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে খেলতে নামবে পিএসজি।

রাতের আরেক ম্যাচে প্রতিযোগিতার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংলিশ পরাশক্তি লিভারপুলকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ। ঘরের মাঠ ওয়ান্দা মেত্রোপলিতানোতে স্প্যানিশ ক্লাবটির হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন সাউল নিগেজ।

Stay updated on the go with The Daily Star Android & iOS News App. Click here to download it for your device.

Grameenphone and Robi:
Type START <space> BR and send SMS it to 2222

Banglalink:
Type START <space> BR and send SMS it to 2225

পাঠকের মন্তব্য

Top