প্রত্যাশার চাপ নিতে রাজি নন মেহেদী | The Daily Star Bangla
০৬:৩০ অপরাহ্ন, ডিসেম্বর ২৪, ২০১৯ / সর্বশেষ সংশোধিত: ০৬:৩২ অপরাহ্ন, ডিসেম্বর ২৪, ২০১৯

প্রত্যাশার চাপ নিতে রাজি নন মেহেদী

ক্রীড়া প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম থেকে

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এলেই ব্যাটসম্যান থেকে বোলার বনে যান শেখ মেহেদী হাসান। তবে এবার তার ব্যত্যয় ঘটেছে। টপ অর্ডারে ব্যাটিং করছেন। আর ব্যাটসম্যান হিসেবে নেমে টানা দুই ম্যাচে জয়ের নায়ক তিনিই। তাই স্বাভাবিকভাবেই তার উপর প্রত্যাশা বেড়েছে সবার। কিন্তু প্রত্যাশার চাপ নিতে রাজি নন এ তরুণ। স্বাভাবিক থেকে খেলাটা উপভোগ করাই লক্ষ্য তার। নিজেকে তাই ক্যালকুলেটিভ ব্যাটসম্যান মানতে নারাজ এ তরুণ।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার সিলেট থান্দারের বিপক্ষে মেহেদীর অল রাউন্ড নৈপুণ্যে ৮ উইকেটের বড় জয় মিলেছে। ধারাবাহিকভাবে ভালো করায় প্রশংসায় ভাসছেন এ তরুণ। তবে মেহেদী অবশ্য অতি প্রশংসায় গা ভাসাতে চান না। নিজেকে এখনও শিক্ষানবিশ দাবি করে বললেন, 'ভালো খেলতে থাকলে মাথাটাও ভালো হয়ে যায়। আমার ক্ষেত্রেও সেটা হয়েছে আরকি। আমার কাছে এতো আশা নেই। আমি এতো ক্যালকুলেটিভ কিছু পারিনা। আমি ক্যালকুলেটিভ ব্যাটসম্যান না। যদি হতাম তাহলে এই ভুল করতাম না। ম্যাচ শেষ করে আসতে পারতাম। চেষ্টা করছি শেখার। শিখতে পারলে আমার জন্য ভালো।'

অথচ সিলেট থান্দারের বিপক্ষে এদিন বেশ হিসেব করেই ব্যাট করেছেন মেহেদী। তিন নম্বরে নিয়মিত রানের চাকা সচল রেখেছেন। ২৮ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ঝড়ো ইনিংস। ৫টি চারের সঙ্গে ৩টি ছক্কাও মেরেছেন এ ব্যাটসম্যান। ম্যাচ শেষ করে আসতে পারেননি। তার আক্ষেপেই পুড়ছেন মেহেদী, 'তামিম ভাই সবসময়ই আমাকে সমর্থন করে আসছিল। আমি সুযোগ নিলে দলে জন্য ভালো, সেটাই হচ্ছিল। তিনি আমাকে বলেছেন শেষ কর শেষ কর, উল্টা পাল্টা কোন শট খেলিস না। আমি ভুল করে ফেলছি। এটা উনার জন্য একটু ক্ষতি হয়ে গেছে। আমরা একসাথে শেষ করতে পারলে জিনিসটা আরও সুন্দর দেখাত। নয় উইকেটের বড় জয় পেতাম।'

আগের দিন অবশ্য ম্যাচ সেরা হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন 'ভ্যালুলেস' উইকেট বলেই তাকে আগে নামানো হয়েছে। আর তিনি যে ভ্যালুলেস নন তা সাত ছক্কা মেরেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। তাতে আত্মবিশ্বাসও মিলেছে। এদিন তাই তার কণ্ঠের সূরও বদলেছে, 'কালকে ভালো খেলায় আজকে এ পজিশনটা পাওয়া গিয়েছে... আজকে মনে হয়েছে আমি দায়িত্ব নিতে পারব।'

আমি যখন শুরু করি প্রথম শ্রেণী কিংবা লিস্ট এ ক্রিকেট তখন কিন্তু টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানই ছিলাম। সেক্ষেত্রে খেলতে খেলতে পরে বোলার হয়ে যাওয়ায় আমাকে সব জায়গায় খেলানো হচ্ছে। আর বিপিএলে যেসকল দলে খেলেছি ব্যাটিং লাইনে অনেক বড়সড় তারকা ছিল দেশি-বিদেশি মিলিয়ে। আগেই বলেছি আমাদের দলে কিছু ইনজুরি সমস্যা আছে। তাই আমাকে পাঠানো হয়েছে, তো আমি সাফল্য পেয়ে গেছি, সামনে হয়তো এর থেকে ভালো কিছু করতে পারব।

Stay updated on the go with The Daily Star Android & iOS News App. Click here to download it for your device.

Grameenphone and Robi:
Type START <space> BR and send SMS it to 2222

Banglalink:
Type START <space> BR and send SMS it to 2225

পাঠকের মন্তব্য

Top