লাইভ আপডেট: শ্রীলঙ্কার সিরিজ জয় | The Daily Star Bangla
০২:৩৬ অপরাহ্ন, জুলাই ২৮, ২০১৯ / সর্বশেষ সংশোধিত: ১০:৩৫ অপরাহ্ন, জুলাই ২৮, ২০১৯

লাইভ আপডেট: শ্রীলঙ্কার সিরিজ জয়

রামিন তালুকদার

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় বড় লক্ষ্য দিতে পারেনি বাংলাদেশ। ২৩৯ রানের যে লক্ষ্য ছুড়েছিল তাতে প্রয়োজন ছিল বোলারদের শুরুতেই দারুণ কিছু করা। তাতো হয়নি উল্টো ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সে লক্ষ্য মামুলী বানিয়ে দেন আভিস্কা ফের্নান্ডো। শুরু থেকেই হাত খুলে দলকে জয়ের ভিত গড়ে দেন এ ওপেনার। এরপর বাকি ব্যাটসম্যানরা দিয়েছেন নিখুঁত হাতে ফিনিশিং। তাতে শ্রীলঙ্কার কাছে দ্বিতীয় ম্যাচেও পাত্তা পেল না টাইগাররা। ৩২ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের সহজ জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে লঙ্কান বাহিনী। এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে নিল শ্রীলঙ্কা।

৩৪ মাস পর ফিরে কিছুটা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছেন তাইজুল ইসলাম। ১০ ওভারে ৩৫ রান দিলেও কোন উইকেট পাননি। এছাড়া বাকি সব বোলারই ছিলেন ক্ষুরধারহীন। ২ উইকেট পেলেও এদিনও বেদম পিটুনি খেয়েছেন মোস্তাফিজ। অন্যদিকে মাঝে দ্রুত দুই উইকেট হারালেও কুসল মেন্ডিস ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজের ব্যাটে জয় পেতে খুব সমস্যা হয়নি লঙ্কানদের। অবিচ্ছিন্ন ৯৬ রানের জুটিতে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন তারা। আগের ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি থেকে ২ রান দূরে থাকলেও এদিন ৫২ রান করে অপরাজিত থেকেছেন ম্যাথিউজ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ২৩৮/৮ (তামিম ১৯, সৌম্য ১১, মিঠুন ১২, মুশফিক ৯৮*, মাহমুদউল্লাহ ৬, সাব্বির ১১, মোসাদ্দেক ১২, মিরাজ ৪৩, তাইজুল ৩, মোস্তাফিজ ২; ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা ০/৩৯, প্রদিপ ২/৫৩, উদানা ২/৫৮, কুমারা ০/৪২, আকিলা ধনাঞ্জয়া ২/৩৯)।

শ্রীলঙ্কা: ৪৪.৪ ওভারে ২৪২/৩ (ফের্নান্ডো ৮২, কারুনারাত্নে ১৫, কুসল পেরেরা ৩০, কুসল মেন্ডিস ৪১*, ম্যাথিউজ ৫২*; মিরাজ ১/৫১, শফিউল ০/২৯, তাইজুল ০/৩৫, মোস্তাফিজ ২/৫০, মোসাদ্দেক ০/৩২, সাব্বির ০/৭, সৌম্য ০/১৬)।

ফলাফল: শ্রীলঙ্কা ৭ উইকেটে জয়ী।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ: আভিস্কা ফের্নান্ডো (শ্রীলঙ্কা)।

মেন্ডিস-ম্যাথিউজ জুটিতে পঞ্চাশ, দলীয় দ্বি শতক

কুসল মেন্ডিস ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজের ব্যাটে আরও একটি দারুণ জুটি পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। এরমধ্যেই এ জুটি পঞ্চাশ ছাড়িয়েছে। ম্যাচে এটা তৃতীয় অর্ধশত রানের জুটি। ৬৬ বলে এসেছে এ জুটির পঞ্চাশ। তাতে মেন্ডিসের অবদান ২৪ রান, ম্যাথিউজ করেছেন ২০ রান। মোসাদ্দেকের বল মিডউইকেটে ঠেলে সিঙ্গেল নিয়ে জুটির ফিফটি স্পর্শ করেন মেন্ডিস।

একই দলীয় শতরানও পূরণ করেছে শ্রীলঙ্কা। ফাইন লেগ দিয়ে সীমানা পার করেই দলীয় দ্বিশতক পূরণ করেন মেন্ডিস। ৩৫.৫ ওভারে (২১৬ বলে) এসেছে দলের দ্বিশতক। প্রথম শতকটি করতে তারা বল খেলেছিল ১০০ বল।

৩৬ ওভার শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২০০ রান। মেন্ডিস ৩১ ও ম্যাথিউজ ২০ রানে ব্যাট করছেন। জিততে হলে আর ৩৯ রান চাই শ্রীলঙ্কার।

পেরেরাকে ফেরালেন মোস্তাফিজ

দুই ওভার আগে আভিস্কা ফের্নান্ডোকে ফিরিয়েছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। এবার ফর্মের তুঙ্গে থাকা কুসল পেরেরাকে ফিরিয়েছেন তিনি। তার বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে এক্সট্রা কভারে সৌম্য সরকারের হাতে ধরা পড়েছেন আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান। ৩৪ বলে ৩টি চারের সাহায্যে ৩০ রান করেছেন পেরেরা।

২৫ ওভার শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৪৬ রান। ৭ রানে ব্যাট করছেন কুসল মেন্ডিস। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ। জিততে হলে এখনও ৯৩ রান করতে হবে শ্রীলঙ্কাকে।   

ফের্নান্ডোকে ফেরালেন মোস্তাফিজ

ওপেনিংয়ে নেমে শুরু থেকেই হাত খুলে খেলছিলেন আভিস্কা ফের্নান্ডো। দুটি কার্যকরী জুটি গড়েছেন তিনি। গড়েছেন শ্রীলঙ্কারর ভিত্তি। এগিয়ে যাচ্ছিলেন সেঞ্চুরির দিকে। তবে তাকে ফেরাতে পেরেছে টাইগাররা। মোস্তাফিজুর রহমানের বলে জায়গায় দাঁড়িয়ে খেলতে গিয়ে টাইমিংয়ে হেরফের করে মিডঅনে ধরা পড়েছেন তামিম ইকবালের হাতে। ৭৫ বলে ৯টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৮২ রান করেছেন ফের্নান্ডো।

২২ ওভার শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ২ উইকেটে ১৩৬ রান। কুসল পেরেরা ২৩ রানে ব্যাট করছেন। নতুন ব্যাটসম্যান কুসল মেন্ডিস উইকেটে আছেন ৪ রানে।  

ফের্নান্ডো-পেরেরা জুটিতে পঞ্চাশ

আভিস্কা ফের্নান্ডোর সঙ্গে দারুণ জুটি গড়ে তুলেছেন আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান কুসল পেরেরা। ফলে ওপেনিং জুটির পর দ্বিতীয় উইকেটেও পঞ্চাশ রানের কোটা পার করেছে শ্রীলঙ্কা। ৪৬ বলেই আসে এ জুটির ফিফটি। তাতে ফের্নান্ডোর অবদান ২৮ রান, পেরেরা ১৮ রান।

২০ ওভার শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ১ উইকেটে ১২৫ রান। ফের্নান্ডো ৭৮ ও পেরেরা ২০ রানে ব্যাট করছেন।  

শ্রীলঙ্কার দলীয় শতক

দারুণ ব্যাটিং করছেন শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যানরা। ওপেনিংয়ে উড়ন্ত সূচনা এনে দিয়েছেন দুই ওপেনার। এরপর অধিনায়ক দিমুথ কারুনারাত্নে ফিরলেও তিন নম্বরে নেমে আভিস্কা ফের্নান্ডোকে দারুণ সঙ্গ দিচ্ছেন কুসল পেরেরা। এর মধ্যেই দলীয় শতক পার করেছে দলটি। ১৬.৩ ওভারে (১০০ বলে) এসেছে তাদের দলীয় একশ। বাংলাদেশ তাদের প্রথম শতকটি করেছিল ২৮ ওভারে।

১৮ ওভার শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ১ উইকেটে ১১১ রান। ফের্নান্ডো ৭১ ও পেরেরা ১৩ রানে ব্যাট করছেন। 

ফের্নান্ডোর হাফসেঞ্চুরি

লক্ষ্য ছোট হলেও শুরু থেকেই হাত খুলে ব্যাট করছেন আভিস্কা ফের্নান্ডো। রানের গতি সচল রেখেছেন, তুলে নিয়েছেন নিজের হাফসেঞ্চুরিও। মাত্র ৪৩ বলে আসে তার ফিফটি। এ রান করতে ৭টি চার ও ১টি ছক্কা মেরেছেন। তাইজুল ইসলামের বলে লংওনে ঠেলে সিঙ্গেল নিয়ে ফিফটি স্পর্শ করেন তিনি। এর আগে ষষ্ঠ ওভারে শফিউল ইসলামকে টানা তিনটি চার মেরেছেন ফের্নান্ডো।

১৩ ওভার শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ১ উইকেটে ৭৮ রান। ফের্নান্ডো ৫১ ও কুসল পেরেরা ৪ রানে ব্যাট করছেন।

কারুনারাত্নেকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙলেন মিরাজ

দুই ওপেনারের ব্যাটে উড়ন্ত সূচনা পায় শ্রীলঙ্কা। ওপেনিং জুতিতেই আসে ৭১ রান। তবে কিছুটা দেখে শুনে খেলছিলেন অধিনায়ক দিমুথ কারুনারাত্নে। খোলস ভাঙার আগেই তাকে ফিরিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে সরাসরি বোল্ড করে দিয়েছেন লঙ্কান অধিনায়ককে। ২৯ বলে ১টি চারের সাহায্যে ১৫ রান করেছেন কারুনারাত্নে। তবে বেশ আগ্রাসী ব্যাটিং করছেন আরেক ওপেনার আভিস্কা ফের্নান্ডো।

১২ ওভার শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ১ উইকেটে ৭৩ রান। ৪৯ রানে ব্যাট করছেন ফের্নান্ডো। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন কুসল পেরেরা।

শ্রীলঙ্কার উড়ন্ত সূচনা

শুরুতে বেশ দেখে শুনেই খেলেছিল শ্রীলঙ্কা। প্রথম পাঁচ ওভারে রান এসেছিল মাত্র ১৭। কিন্তু এরপর থেকেই হাত খুলে খেলতে থাকেন দুই ওপেনার। শফিউল ইসলামের করা ষষ্ঠ ওভারে টানা তিনটি চার মারেন আভিস্কা ফের্নান্ডো। এরপর তাইজুল ইসলাম ও দলের সেরা বোলার মোস্তাফিজুর রহমানকে এনেও সে গতিতে লাগাম দেওয়া যায়নি। এরমধ্যেই দলটি তুলে নিয়েছে দলীয় হাফসেঞ্চুরি। ৭.৪ ওভারে (৪৬ বলে) এসেছে শ্রীলঙ্কার দলীয় ফিফটি। বাংলাদেশ তাদের প্রথম পঞ্চাশ করেছিল ৮০ বলে।

৯ ওভার শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৫৭ রান। কারুনারাত্নে ১৫ ও ফের্নান্ডো ৩৯ রানে ব্যাট করছেন।

শ্রীলঙ্কার সাবধানী শুরু

লক্ষ্যটা খুব বেশি দিতে পারেনি বাংলাদেশ। ২৩৯ রানের। সে লক্ষ্য তাড়ায় ধীর গতিতেই আগাচ্ছে শ্রীলঙ্কা। দেখে শুনেই ব্যাট করছেন দুই ওপেনার আভিস্কা ফের্নান্ডো ও অধিনায়ক দিমুথ কারুনারাত্নে। তবে বাজে বল পেলে তার প্রাপ্য সাজাও দিচ্ছেন।

৫ ওভার শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১৭ রান। কারুনারাত্নে ১১ ও ফের্নান্ডো ৬ রানে ব্যাট করছেন।

মুশফিকের ব্যাটে বাংলাদেশের লড়াইয়ের পুঁজি

কোন মতে দুই অঙ্কের কোটা স্পর্শ করেন ব্যাটসম্যানরা, এরপরই ছুড়ে আসেন উইকেট। মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ ছাড়া বাকি সব ব্যাটসম্যানদের চিত্র এদিন ছিল এমনই। আর তাতে যা হবার তাই হয়েছে। সাদামাটা স্কোর নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে বাংলাদেশকে। তবে এক প্রান্তে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন মুশফিক। খেলেন হার না মানা ৯৮ রানের ইনিংস। তার ইনিংসে ভর করে ৮ উইকেটে ২৩৮ রান তুলেছে বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ২৩৮/৮ (তামিম ১৯, সৌম্য ১১, মিঠুন ১২, মুশফিক ৯৮*, মাহমুদউল্লাহ ৬, সাব্বির ১১, মোসাদ্দেক ১২, মিরাজ ৪৩, তাইজুল ৩, মোস্তাফিজ ২; ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা ০/৩৯, প্রদিপ ২/৫৩, উদানা ২/৫৮, কুমারা ০/৪২, আকিলা ধনাঞ্জয়া ২/৩৯)।

মুশফিককে স্ট্রাইক দিতে রানআউট হলেন তাইজুল

সেঞ্চুরির পথে থাকা মুশফিকুর রহিম ৫০তম ওভারের প্রথম বলে পেলেন সিঙ্গেল। পরের বলে ব্যাটে বলে করতে পারেননি তাইজুল ইসলাম। কিন্তু প্রান্ত বদলের জন্য ছুটলেন। মুশফিক পার পেলেও বল ধরে স্টাম্প ভাঙেন বোলার প্রদিপ। তাতে রানআউটে কাটা পড়েন তাইজুল। ৯ বলে ৩ রান করেছেন তাইজুল।

মিরাজের বিদায়ে ভাঙল জুটি

মুশফিকুর রহিমকে একমাত্র মেহেদী হাসান মিরাজই কিছুটা সঙ্গ দিতে পারলেন। ৮৪ রানের দারুণ একটি জুটিও গড়েছিলেন। কিন্তু রানের গতি বাড়াতে গিয়ে আউট হয়ে গেছেন তিনি। নুয়ান প্রদিপের স্লোয়ার বলে এক্সট্রা কভারের উপর দিয়ে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে মিডঅফে ধরা পড়েছেন দিমুথ কারুনারাত্নের হাতে। ৪৯ বলে ৪৩ রান করেছেন মিরাজ।

৪৬ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২০১ রান। ৬৯ রানে ব্যাট করছেন মুশফিক। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন তাইজুল ইসলাম।

বাংলাদেশের দলীয় দ্বিশতক

মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে দারুণ এক জুটি গড়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দলের ইনিংস মেরামত করেছেন। দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন লড়াইয়ে পুঁজি গড়ে দিতে। এরমধ্যেই দলের দ্বিশতক পূর্ণ করেছে দলটি। ৪৫.২ ওভারে (২৭৩ বলে) এসেছে দলের দুইশ। প্রথম শতক করতে ১৬৮ বল খেলেছিল টাইগাররা। মুশফিক ও মিরাজের জুটিতেও এর মধ্যে এসেছে ৮৪ রান।

মুশফিক-মিরাজ জুটিতে পঞ্চাশ

এরমধ্যেই দল উইকেট খুইয়েছে ৬টি। কিন্তু প্রথম পঞ্চাশ রানের জুটির জন্য অপেকঝা করতে হলো সপ্তম উইকেট জুটি পর্যন্ত। ১১৭ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে ইনিংস মেরামতের কাজ করছেন মুশফিকুর রহিম। তিনি দেখে খেললেও কিছুটা হাত খুলে খেলার চেষ্টা করছেন মিরাজ। জুটিতে তার অবদানই বেশি। ৪৮ বলে করা হাফসেঞ্চুরির জুটিতে মিরাজের অবদান ২৪ রান, মুশফিকের ২০।

৪১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৭৪ রান। মুশফিক ৫৯ ও মেইরাজ ২৯ রানে ব্যাট করছেন।   

মুশফিকের হাফসেঞ্চুরি

এক প্রান্তে ব্যাটসম্যানরা আসা যাওয়ার মিছিলে যোগ দিয়েছেন। তবে অপর প্রান্তটি ধরে রেখেছেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। শুরু থেকেই দায়িত্ব নিয়ে দারুণ ব্যাটিং করে যাচ্ছেন তিনি। এর মধ্যে নিজের ফিফটিও তুলে নিয়েছেন তিনি। ৭১ বলে স্পর্শ করেছেন নিজের হাফসেঞ্চুরি। এ রান করতে চার মেরেছেন ২টি।

৩৭ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৪৪ রান। মুশফিক ৫১ ও মিরাজ ১৩ রানে ব্যাট করছেন।  

বিপদ বাড়িয়ে ফিরে গেলেন মোসাদ্দেকও

এক প্রান্তে মুশফিকুর রহিম দেখে শুনে খেলছেন। কিন্তু অপর প্রান্তে ব্যাটসম্যানরা যোগ দিয়েছেন আশা যাওয়ার মিছিলে। ৮৮ রানে ৫ উইকেট হারানো বাংলাদেশ দলের বিপদ আরও বাড়িয়ে এবার ফিরে গেলেন মোসাদ্দেক হোসেন। ইশুরু উদানার বাউন্সারে হুক করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ব্যাটের কানায় লেগে চলে যায় উইকেটরক্ষক কুসল পেরেরার হাতে। ২৭ বলে ১৩ রান করেছেন মোসাদ্দেক।

৩২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১১৭ রান। ৩৭ রানে ব্যাট করছেন মুশফিক। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। 

বাংলাদেশের দলীয় শতরান

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট খোয়াচ্ছে বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিম ছাড়া কোন ব্যাটসম্যানই দায়িত্ব নিতে পারেননি। ফলে রানের গতিতেও লাগাম দিতে সমর্থ হয়েছে লঙ্কান বোলাররা। ২৮ ওভার (১৬৮ বল) শেষে দলীয় শতক তুলতে পেরেছে বাংলাদেশ। প্রথম পঞ্চাশ রান করতে টাইগারদের লেগেছিল ৮০ বল।

২৯ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১০৪ রান। মুশফিক ৩৩ ও মোসাদ্দেক ৫ রানে ব্যাট করছেন।

রানআউট সাব্বির

আগের ম্যাচেও মুশফিকুর রহীমের সঙ্গে ভুল বোঝাবঝির জেরে ফিরেছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন। এবার আউট হলেন সাব্বির রহমান। আকিলা ধনাঞ্জয়ার বলে পয়েন্টে ঠেলে দিয়ে রান নিতে গিয়েছিলেন সাব্বির। মুশফিকও সাড়া দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত বদল করেন তিনি। ততক্ষণে বিপদ সীমানায় চলে এসেছেন সাব্বির। ধনাঞ্জয়া ডি সিলভার থ্রো ভালো না হলেও সময় মতো ফিরতে না পারায় রানআউট হতে হলো তাকে। ১৯ বলে ১১ রান করেছেন সাব্বির।

২৬ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৮৯ রান। মুশফিক ২৬ রানে ব্যাট করছেন। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন মোসাদ্দেক হোসেন।

মাহমুদউল্লাহর বিদায়ে বিপদে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের বিপদ আরও বাড়িয়ে গেলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৫২ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের দিকেই তাকিয়ে ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু আরও একবার হতাশ উপহার দিলেন মাহমুদউল্লাহ। আকিলা ধনাঞ্জয়ার বলে কাট করতে গিয়ে লাইন মিস করে বোল্ড হয়ে গেলেন তিনি। ১৮ বলে ৬ রান করেছেন এ ব্যাটসম্যান।

১৯ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৬৮ রান। মুশফিকুর রহিম ব্যাট করছেন ১৬ রানে। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন সাব্বির রহমান।

মিঠুনের বিদায়ে চাপে বাংলাদেশ

দুই ওপেনারের বিদায়ের পর মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে দলের হাল ধরেছিলেন মুশফিক। কিন্তু মুশফিককে খুব বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারলেন না মিঠুন। দলীয় ফিফটি তোলার পরই ফিরে গেলেন তিনি। আকিলা ধনাঞ্জয়ার প্রথম ওভারেই ফিরেছেন তিনি। তার স্লোয়ারে ড্রাইভ করতে গিয়ে শর্ট মিড উইকেটে সহজ ক্যাচ দিয়েছেন কুসল মেন্ডিসের হাতে। ২৩ বলে ১২ রান করেছেন মিঠুন।

১৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৫৩ রান। ৮ রানে ব্যাট করছেন মুশফিক। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

৬০০০ রানের মাইলফলকে মুশফিক

আগের ম্যাচেই এ কীর্তি গড়ার কাছে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আউট হয়ে যান তিনি। এদিন মাঠে নামার আগে ৬ হাজারী ক্লাবে ঢোকা থেকে মাত্র ৮ রান দূরে ছিলেন তিনি। আকিলা ধনাঞ্জয়ার বলে স্কয়ার লেগে ঠেলে দিয়ে এ মাইলফলক স্পর্শ করেন মুশফিক। তৃতীয় বাংলাদেশী ব্যাটসম্যান হিসেবে এ মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। এর আগে তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান এ কীর্তি গড়েছেন।

বাংলাদশের দলীয় পঞ্চাশ

৫ রানের ব্যবধানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে বেশ চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। সে চাপ থেকে দলকে উদ্ধারের চেষ্টা করছেন সাবেক অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। সঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন মোহাম্মদ মিঠুনকে। এর মধ্যেই দলীয় ফিফটি স্পর্শ করেছে দলটি। তবে বেশ ধীরে গতিতেই এসেছে দলের পঞ্চাশ। খেলতে হয়েছে ১৩.২ ওভার (৮০ বল)।

১৪ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৫০ রান। মুশফিক ৭ ও মিঠুন ১১ রানে ব্যাট করছেন।

সৌম্যর পর বিদায় নিলেন তামিমও

দুর্দশা থেকে বের হয়ে আসতে পারছেন না বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক তামিম ইকবালের। আত্মবিশ্বাস একেবারে তলানিতে গিয়ে পৌঁছেছে তার। আবারো অফ স্টাম্পের বাইরের বল টেনে বোল্ড হলেন তিনি। ইশুরু উদানার অনেক বাইরে রাখা বলে এদিন বোল্ড হলেন। এর আগে গত বিশ্বকাপেই আট ম্যাচে তিনবার একইভাবে বোল্ড হয়েছিলেন তিনি। ৩১ বলে ২টি চারের সাহায্যে ১৯ রান করেছেন তামিম।

৯ ওভার শেষে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৩৩ রান। উইকেটে আছেন দুই নতুন ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুন ও মুশফিকুর রহিম।

শুরুতেই ফিরে গেলেন সৌম্য

আবারো হতাশ করলেন সৌম্য সরকার। নুয়ান প্রদিপের ফুলটাস বল খেলতেই পারলেন না তিনি। পড়েছেন এলবিডব্লিউর ফাঁদে। লেগ স্টাম্পে রাখা বলটি ফ্লিক করতে গিয়ে মিস করলে বিপদ ডেকে আনেন তিনি। ১৩ বলে ১টি চারের সাহায্যে ১১ রান করেছেন সৌম্য।

এর আগে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম ম্যাচের প্রায় পুনরাবৃত্তি ডেকে এনেছিলেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। প্রদিপ এলবিডাব্লিউর আবেদনে রিভিউ নিয়েছিলেন। তবে শেষ মুহূর্তে ব্যাটে লাগায় বেঁচে যান তিনি। তবে এরপর দেখে শুনেই ব্যাট করছেন তিনি।

৬ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ২৭ রান। ১৫ রানে ব্যাট করছেন তামিম। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন মোহাম্মদ মিঠুন।

শ্রীলঙ্কা একাদশ: দিমুথ কারুনারাত্নে, কুশল পেরেরা, আভিস্কা ফের্নান্ডো, কুশল মেন্ডিস, আঞ্জেলো ম্যাথিউজ, লাহিরু থিরিমান্নে, ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা, আকিলা ধনাঞ্জয়া, নুয়ান প্রদিপ, লাহিরু কুমারা ও ইশুরু উদানা।

বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ মিঠুন, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, সাব্বির রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোস্তাফিজুর রহমান, তাইজুল ইসলাম ও শফিউল ইসলাম।

শ্রীলঙ্কা দলে দুই পরিবর্তন

একটি পরিবর্তন অনুমিতই ছিল। আগের ম্যাচেই ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন লাসিথ মালিঙ্গা। তার জায়গায় এ ম্যাচে জায়গা পেয়েছেন ইশুরু উদানা। এছাড়া বিশ্বকাপ থেকেই ফর্মহীনতায় ভুগছে থিসারা পেরেরা। তাই তার জায়গায় স্পিনার আকিলা ধনাঞ্জয়াকে একাদশে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা।

রুবেলের জায়গায় তাইজুল

ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে এক পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে প্রত্যাশা অনুযায়ী বোলিং করতে পারেননি রুবেল। তাই এ ম্যাচে তাকে বাদ দিয়ে দিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। তার জায়গায় বাঁহাতি স্পিনাত তাইজুল ইসলামকে একাদশে নিয়েছে তারা। সর্বশেষ ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিলেন এ স্পিনার।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

প্রথম ওয়ানডেতে বড় ব্যবধানে হেরে এর মধ্যেই পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। সিরিজে টিকে থাকতে হলে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের কোন বিকল্প নেই তাদের। এমন ম্যাচের শুরুটা ভালোই হয়েছে বাংলাদেশের। টস জিতে নিয়েছেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তামিম ইকবাল খান। বেছে নিয়েছেন ব্যাটিং। অর্থাৎ প্রথমে ফিল্ডিং করতে হবে শ্রীলঙ্কাকে। বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

মাইলফলকের সামনে মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ

এ ম্যাচ দিয়ে নিজের ২১৫তম ম্যাচ খেলবেন মুশফিকুর রহিম। ব্যাট হাতে নামলে খেলবেন ২০১তম ইনিংস। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে দাঁড়িয়ে ছয় হাজার রান পূর্ণ করার সামনে। ২০০ ইনিংসে ব্যাট হাতে নেমে করেছেন ৫৯৯২ রান। মাইলফলক স্পর্শ করতে আর চাই ৮ রান। তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসানের পর তৃতীয় বাংলাদেশী ক্রিকেটার হিসেবে এ কীর্তি গড়ার সামনে মুশফিক। অন্যদিকে ১৮৩টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। রান করেছেন ৩৯৭৯। আর ২১ রান করলেই চার হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করবেন তিনি। তামিম, সাকিব ও মুশফিকের পর চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে চার হাজারের রানের এ কীর্তি গড়বেন সাইলেন্ট কিলার।

ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া বাংলাদেশ

বিশ্বকাপের ব্যর্থতা শ্রীলঙ্কায় ঘোচাতে চেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু উল্টো প্রথম ওয়ানডেতে বিশাল ব্যবধানে হেরে গেছে টাইগাররা। দ্বিতীয় ম্যাচে তাই ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া টাইগাররা। আগের ম্যাচে পেস বা স্পিন, বোলিংয়ের কোনো বিভাগেই নজর কেড়ে নেওয়ার মতো কিছু ছিল না। ফিল্ডিংয়ের বেহাল দশা নিয়ে চায়ের কাপে ঝড় তোলা তো সেই বিশ্বকাপ থেকেই। যে ব্যাটিং লাইনআপ নিয়ে বিশ্ব সেরাদের আসরে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল টাইগাররা, সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতিতে তাও বিবর্ণ। ফলে লঙ্কানদের মাটিতে আদৌ কোনো ইতিবাচক ফল বাংলাদেশ আদায় করতে পারবে কি-না তা ভাবতে গিয়ে কূল-কিনারা হারিয়ে বসার জোগাড় ক্রিকেটপ্রেমীদের।

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনও মানছেন, তিন ম্যাচ সিরিজের শুরুর ওয়ানডে হেরে ব্যাকফুটে চলে গেছে বাংলাদেশ। তবে ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্য তার শিষ্যদের রয়েছে বলেও বিশ্বাস করছেন সুজন, 'আজকে অনুশীলন বন্ধ ছিল। কারণ এখানে খুব গরম। এছাড়া গতকাল আমরা ম্যাচ খেলেছি। তামিম (ইকবাল) তারপরও অনুশীলন করতে চেয়েছে। ওর কারণেই আসা (মাঠে)। আমি মনে করি ম্যাচ হারলে কখনওই ভালো লাগে না। তারপরও আমাদের সুযোগ আছে। যদি আমরা কালকের ম্যাচে ভালো করতে পারি, তাহলে কামব্যাক করতে পারব। আমি মনে করি, আমাদের সামর্থ্য আছে। আমি বিশ্বাস করি, আমরা ঘুরে দাঁড়াব।'

Stay updated on the go with The Daily Star Android & iOS News App. Click here to download it for your device.

Grameenphone and Robi:
Type START <space> BR and send SMS it to 2222

Banglalink:
Type START <space> BR and send SMS it to 2225

পাঠকের মন্তব্য

Top